সামাজিক প্রযুক্তির রকমফেরে বিজেপির সাফল্য

গৌতম রায়    2017-03-23

উত্তরপ্রদেশের ভোটের প্রচার পর্বে সামাজিক মেরুকরণের ভিতর দিয়ে এমন একটা পরিবেশ গোটা হিন্দুত্ববাদী শিবির রচনা করে যে, কেবলমাত্র হিন্দু সম্প্রদায়েরই সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে তা নয়।সংখ্যালঘু মুসলমান সমাজের একটা বড়ো অংশ ও ভোটের বাক্সে নিরাশ করে নি বিজেপি।হিন্দু সাম্প্রদায়িক শক্তির এই অভাবনীয় নির্বাচনী সাফল্যের পিছনে তাদের সামাজিক প্রযুক্তিকরনের গত প্রায় তের বছরের একটা নিরলস প্রয়াস রয়েছে।এই মেরুকরণের প্রক্রিয়াটি দেশের রাজনৈতিক দলের সিংহভাগ সেভাবে বুঝতে পারে নি।তাই সে রাজ্যের বিজেপি বিরোধী ভোটগুলো নানাভাবে বিভক্ত হয়েছে।এই বিভাজনের ফলে সামাজিক প্রযুক্তির স্টিম রোলারটা চালাবার কাজটি হিন্দু সাম্প্রদায়িক শক্তির পক্ষে অনেকখানিই সুবিধা হয়েছে।আর সামাজিক প্রযুক্তির যে প্রয়োগের ফলে নিজেদের কর্মসূচি হিশেবে "সাম্প্রদায়িকতা"কে একটা প্রয়োজনীয় আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক কর্মসূচি হিশেবে দেখাবার প্রয়াস আর এস এস , বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বজরং দল প্রমুখ জাতীয় ও আঞ্চলিক শক্তিগুলো পেয়েছিল। সেই সুযোগের সুফল প্রয়োগেরই সেদিন নির্বাচনী সাফল্য তাদের রাজনৈতিক সংগঠন বিজেপির ঝোলাতে ওঠে।
সরাসরি ধর্মের নামে উগ্রতার দিকে যাবে কিনা তা নিয়ে আর এস এস গত লোকসভা ভোটের আগে কিছুটা দ্বিধাতেই ছিল।সেই কারণে উগ্র সাম্প্রদায়িক প্রচারের ক্ষেত্রে লোকসভা ভোটের সময়ে তাদের ভিতরে কিছুটা হলেও দ্বিধাগ্রস্থতা ছিল।মূলত একটি রাজ্যের প্রচারে উগ্র সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে আসলে গোটা দেশের প্রেক্ষিতে তা বিজেপির পক্ষে ইতিবাচক হবে কি না -সে সম্পর্কে একটা দ্বিধাগ্রস্থতা হিন্দু সাম্প্রদায়িক শিবিরের ভিতরে বেশ ভালো রকম ই ছিল। তাছাড়া দ্বিতীয় দফার ইউ পি এ সরকারের জঙ্গমত্ব মধ্যবিত্ত সমাজকে তখন কেবল হতাশই নয়, বেশ ক্ষুব্ধ ও করে তুলেছিল। তাই মধ্যবিত্ত কে নিজেদের পক্ষে আনবার একটা বড়ো রকমের দায় তখন হিন্দু সাম্প্রদায়িক শিবিরের ছিল। সেই দায় পূরণ উগ্র সাম্প্রদায়িকতা দিয়ে যে করা সম্ভব নয়-সেটা বুঝতে আর এস এস বা বিজেপির কোনো অসুবিধা হয় নি।
তাই মুজফফরনগরে দাঙ্গা ঘটিয়ে সামাজিক মেরুকরণের রাস্তা খুলে দিয়ে নগ্ন সাম্প্রদায়িকতার প্রচারে তারা কিছুটা চোরাগোপ্তা রাস্তাই তখন অবলম্বন করেছিল।মধ্যবিত্ত এবং গরিব মানুষদের মনোরঞ্জনের উপর জোর দিয়ে তারা তখন অবতারণা করেছিল "আচ্ছে দিনে"র। মোদি ক্ষমতাসীন হওয়ার তিন বছর পরেও আচ্ছে দিনের লেশমাত্র না পেয়ে মানুষ যখন চরম ক্ষুব্ধ, মানুষের মনে যখন এই জিজ্ঞাসা প্রবল থেকে প্রবলতর হচ্ছে যে, মোদির প্রতিশ্রুতি মতো কালোটাকা উদ্ধার করে তার থেকে পনের লাখ করে প্রত্যেক ভারতীয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আসার কি হলো ?তখন একদিকে কালো টাকা উদ্ধারের নাম করে "নোটবন্দী" র খেলায় মাতলেন মোদি।
গণেশের দুধ খাওয়ার আদলে দেশের বড়ো বড়ো শহর গুলি থেকে সদর মফস্বলের আনাচে কানাচে গল্প ঘুরতে লাগলো কোন কোন বিত্তবানের বাড়ি থেকে কতো কতো কালো টাকা উদ্ধার হয়েছে।নিম্নবিত্তের মানুষ ভুলে গেল , কাল তাঁরা কি খাবেন,কি পরবেন। একটা অদ্ভূত মানসিক আনন্দে আপামর ভারতবাসীর একটা অংশ কে মাতিয়ে দিয়ে মোদি কার্যত কালোটাকার কারবারীদের আরো নিরাপত্তা দিলেন। আরো করছাড় দিলেন। এই গণ হিস্টিরিয়াতে চাপা পড়ে গেল নোটবন্দীর জেরে সাধারণ মানুষের দুঃখের কথা।সাধারণ মানুষ ভুলে গেল মোদি কে প্রশ্ন করতে যে, "কোথায় গেল আপনার আচ্ছে দিন?"বড়োলোক বেকায়দায় পড়ছে বলে গরিবের ভিতরে একটা আনন্দের রেশ এভাবে ঢুকিয়ে দিয়ে পাঁচটি রাজ্যের ভোটের আগেই মানুষের মন থেকে রাজনীতির প্রশ্নগুলিকে সযত্নে দূরে ঠেলে দিতে সক্ষম হলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। মোদি প্রধানমন্ত্রীর তখতে বসবার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা দখলের তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছিল গোটা হিন্দুত্ববাদী শিবির।যে অজয় সিং বিশাত ওরফে স্বঘোষিত "যোগী" আদিত্যনাথকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী করে উগ্রতার পালে নয়া বার্তা দিল সঙ্ঘ ও বিজেপি, সেই ব্যক্তিটিকে দাঙ্গায় প্ররোচনার অভিযোগে প্রথম দফার ইউ পি এ সরকারের আমলে গ্রেপ্তার করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মুলায়ম সিং যাদব। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর সংসদে কেঁদে কেটে একটা দৃশ্যের অবতারণা করে বক্তৃতা করেছিলেন আদিত্যনাথ।সেদিন মুলায়মের যে ভূমিকা ছিল , বিজেপি একক গরিষ্ঠতা নিয়ে কেন্দ্রে সরকার গড়বার পর সেই ভূমিকাতে আর তাঁকে দেখা যায় নি। অখিলেশের ভিতরেও সাম্প্রদায়িকতার মোকাবিলাতে একটা আপোষকামী মানসিকতাই ছিল প্রবল। এই সুযোগ টা কেন্দ্রে ক্ষমতায় এসে আর এস এস , বিজেপি খুব ভালো ভাবে নিয়েছে।
সরাসরি দাঙ্গাতে না গিয়ে মেরুকরণের লক্ষ্য ঘরওয়াপসি এবং লাভ জিহাদের ইস্যুতে গোটা হিন্দুত্ববাদী শিবির উত্তরপ্রদেশে মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ারর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ঝাপিয়ে পড়ে।এই সামাজিক প্রযুক্তির কাজটি ই তাদের সামাজিক মেরুকরণের ভিতর দিয়ে হিন্দুত্ববাদীদের রাজনৈতিক কর্মসূচি "সাম্প্রদায়িকতা" র প্রসারে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।গুজরাট গণহত্যার কালের সামাজিক প্রযুক্তির প্রসার ও প্রয়োগ আর এস এস ও তাদের হরেক রকমের রাজনৈতিক সংগঠন এবং তাদের রাজনৈতিক সংগঠন বিজেপি যে পদ্ধতিতে করেছিল, কেন্দ্রে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সেই পদ্ধতিতে তারা পরিবর্তন আনে। আবার গত লোকসভা ভোটের সময়কালের তাদের সামাজিক প্রযুক্তির আদলের সঙ্গে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার সাম্প্রতিক ভোটের সময়কালের আদলের কোনো মিল নেই। গুজরাট গণহত্যার আগে "হিন্দুত্বের গবেষণাগার " নির্মাণের লক্ষ্যে তাদের দরকার ছিল আপামর হিন্দু সমাজের কাছে নিজেদের উচ্চবর্ণের মনুবাদী সংগঠন হিশেবে পরিচিতির প্রকাশ্য তকমাটাকে আড়াল করা। উচ্চবর্ণের হিন্দু অভিজাতদের দলের তকমাকে কৌশলগত ভাবে( কারণ, আদর্শগত ভাবে এই জায়গা থেকে তারা একচুল ও সরে নি) আলাদা করে দলিত, আদিবাসী, তপশিলি জাতি।,তপশিলি উপজাতি, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি(ও বি সি) ইত্যাদির ভিতরে তারা নাগপুরীয় হিন্দুত্বের সংহতিকরণ ঘটায়।দলিত সমাজকে উচ্চবর্গীয় করবার মোহ দেখিয়ে নাগপুরীয় হিন্দুত্বের ছাতার তলায় এনে তাঁদের দায়েই মূলত আসুরিক বর্বরতা চালায় গুজরাটের মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদের উপর। এই সামাজিক প্রযুক্তিকরণের অত্যন্ত বাস্ববমুখী সমাজবিক্ষণ ধরা পড়েছিল নাট্যকার কুন্তল মুখোপাধ্যায়ের সেই সময়ের নাটক " হায় রাম"(সংলাপ কলকাতা) র ভিতরে।পাঁচের দশকে অবিভক্ত মধ্যপ্রদেশের রায়পুরে "বনবাসী কল্যাণ আশ্রম" নামক একটি শাখা সংগঠন তৈরী করে আর এস এস। প্রধানতঃ দলিত, আদিবাসী, তপশিলি জাতি, উপজাতির মানুষদের হিন্দুত্বের ছাতার তলায় আনবার লক্ষ্যে।
এই কাজে তাদের সাফল্য সেভাবে না এলেও ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংসের কিছু পরে ১৯৯৩ সালের ৩০ শে সেপ্টম্বর লাটুরে যে বিধ্বংসী ভূমিকম্প হয়, সেখানে ত্রাণের নাম করে আর এস এস এই বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের ভিতর দিয়ে সামাজিক প্রযুক্তির কাজটিকে জোর কদমে শুরু করেছিল।গুজরাট গণহত্যা সংগঠনে সঙ্ঘের প্রচেষ্টার সামাজিক প্রযুক্তির কাজটি যখন তারা শুরু করেছিল তখন রাষ্ট্র ক্ষমতা থেকে বিজেপি অনেক দূরে। হয়তো গুজরাট ই তখন হিন্দুত্বের গবেষণাগার হয়ে উঠবে এই ভাবনা তাদের ছিল না। তবে গণহত্যা সংঘটিত করে সাম্প্রদায়িকতাকে রাজনৈতিক মতাদর্শ হিশেবে প্রতিষ্ঠিত করবার লক্ষ্য তখন থেকেই ছিল।পরবর্তী সময়ে জানা গিয়েছে যে,ভূমিকম্পের সময়ে ত্রাণ বিলির যে তালিকা টি সেবার মুখোশ এঁটে সঙ্ঘের শাখা সংগঠন "ভারত সেবাশ্রম সংঘ" তখন তৈরী করেছিল, সেটিই গণহত্যার নীল নক্সা তৈরীর সময়ে হিন্দুত্ববাদীদের প্রথমিক উপাদান ছিল। গত লোকসভা ভোটের প্রচারকালে যে সামাজিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাফল্য পেয়েছিল বিজেপি তাকে উত্তরপ্রদেশের বিধানসভার ভোটে আর ও ক্ষিপ্য করে তোলে তারা। এই ক্ষিপ্যতার প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল সর্বস্তরের হিন্দু সমাজের মানুষের ভিতরে একটা চরম ভাবাবেগ তৈরী করা।সেই ভাবাবেগকে সম্বল করে মেরুকরণকেও তীব্র করে তোলা ছিল হিন্দুত্ববাদীদের সামাজিক প্রযুক্তিকরণের সাম্প্রতিক কৌশলের বৈশিষ্ট্য।সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাতে পূজোপার্বণের একটা মাত্রাতিরিক্ত আধিক্য হিন্দুত্ববাদীদের সামাজিক প্রযুক্তির একটি সাম্প্রতিক কৌশল। এই কৌশলের ভিতর দিয়ে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বা সংখ্যালঘু লাগোয়া এলাকাগুলিতে পূজাপাঠের নাম করে যথেচ্ছ মাইকের ব্যবহার, চাঁদার জুলুম, মসজিদের সামনে দিয়ে প্রতিমা নিয়ে শোভাযাত্রা ইত্যাদির ভিতর দিয়ে এক ই সঙ্গে সংখ্যালঘু সমাজের ভিতরে একটা ক্ষোভ, ক্রোধ, প্ররোচনা এবং ভীতির সঞ্চার করতে তারা সক্ষম হয়েছে। উদাহরণ হিশেবে বলা যায়, বারাণসীর মুসলমান অধ্যুষিত এলাকা মদনপুরাতে মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই আধুনিক দে দেবীর পূজোর একটা অদ্ভূত হিরিক ফেলে দিয়েছিল স্থানীয় সঙ্ঘ পরিবারের সদস্যরা।
আধুনিক "দেবতা" সন্তোষীর পূজোর প্রচলন বারাণসীতে আগে ছিল নাই বলা যেতে পারে।মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বৃহত্তর বারাণসীর রবীন্দ্রনগরে সঙ্ঘ পরিবারের নানা বর্ণের কর্মীদের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট দেবীর একটি মন্দির মহা সমারোহে সেখানে চালু হয়।কেবল তাই ই নয়, শৈব তীর্থ বলে হিন্দু ভাবাবেগে বারাণসীর যে জায়গা আছে তাকে উগ্রতা দিতে মদনপুরা, ভেলুপুরা ইত্যাদি বারাণসীর সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা গুলিতে সঙ্ঘ কর্মীদের বদান্যতায় এখন সন্তোষী,জয় মাতাদি ইত্যাদি আধুনিক "দেবতা"দের প্রধান্য। এভাবে তারা এইসব অঞ্চলগুলির সংখ্যালঘুদের উপরে একটা ভয়ের সংস্কৃতি কায়েম করে সামাজিক মেরুকরণ রেখাটিকে তীব্যর করে তুলেছিল সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের আগে। এলাহাবাদের গঙ্গা যমুনা সরস্বতীর সঙ্গম কে ঘিরে হিন্দু সমাজে একটা ভাবাবেগ আছে। সঙ্গম স্থলে উৎসাহীদের নিয়ে যাওয়ার জন্যে নৌকার যে মাঝিরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সেখানে রয়েছে তাঁদের ভিতরে কোনো জাত ধর্মের বেড়াজাল এতোকাল ছিল না।এই মাঝিদের ভিতরে একটা বড়ো অংশের মানুষ ছিলেন জন্মসূত্রে যাঁরা মুসলমান।প্রধানত শহরের প্রাণকেন্দ্রের অদূরে মুঠিগঞ্জ নামক এলাকাতে খুব কষ্টের সঙ্গেই তাঁদের দিন কাটতো। এই মুঠিগঞ্জেই জীবনের শেষ দিনগুলি কাটিয়েছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণের অন্তরঙ্গ স্বামী বিজ্ঞানানন্দ।স্বামী বিবেকানন্দ ও সেখানে এসেছেন। এই অঞ্চলের মাঝি দের সঙ্গে হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষে ওইসব মনীষীদের আন্তরিক সংযোগ ছিল।
গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর অনেকটা কৈরানার আঙ্গিকে এই সঙ্গমের মুসলমান মাঝিদের কর্মচ্যুত হতে হয়।বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সেখানে আওয়াজ তোলে, মুসলমান মাঝি�%A

গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়,2017-05-06

বৈশাখের প্রবল নিদাঘেও শান্তির বারি মাহালি এবং মণ্ডল পরিবারে-সেই নকশালবাড়ি থেকে এই চেতলায়। দেখে মনে হচ্ছে, মোদি-মমতার দ্বৈরথের দরুন এবার প্রাচীন একটি প্রবচন পাল্টে ফেলার সময় এসেছে। এখন থেকে হয়তো বলতে হবে, রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় নলখাগড়ারা প্রাণ পায়। ....

গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়,2017-04-24

এরকমটিই তো হওয়ার কথা ছিল। অশান্ত কাশ্মীরে একটি নতুন কালো মেঘের আবির্ভাবে সে সত্যই ফের প্রতিভাত হল। ন’বছরের এক বালিকাকে গোরক্ষকেরা প্রহারেণ ধনঞ্জয় করে বুঝিয়েছে, এ দেশে গোমাতাকে চারণভূমিতেও নিয়ে যাওয়া যাবে না, যদি না, কট্টর হিন্দুবাহিনীদের কাছ থেকে শংসাপত্র না .....

N Sathiya Moorthy,2017-04-21

To elect, or re-elect a chief minister, the AIADMK needs to call only the MLAs for a meeting. But to elect a new general secretary, it would have to conduct direct elections with all registered cadres participating and voting. And that is .....

Ram Puniyani,2017-04-10

The spectacular victory of BJP in UP Assembly poll was capped by choosing of Adityanath Yogi as the Chief Minister of UP. He had not contested for the Assembly nor was he projected as the Chief Minister by BJP before polls. Why ....

Ram Puniyani,2017-04-08

After the long wait, the Supreme Court Chief Justice J.S. Khehar opined that long pending dispute of Ram Janmabhoomi-Babri Masjid should be settled out of court. (March 2017) He even offered to mediate himself in the matter.

Ram Puniyani,2017-03-22

The Assembly election results of 2017 have come as a bolt to many and are a matter of deep celebration for the communal forces. While there is a slight dip in the voting percentage of BJP from 2014 general elections, the number of seats it ...

গৌতম রায়,2017-03-16

সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে বিজেপি প্রার্থীর জয় উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা ভোটের ফলাফলে সব থেকে লক্ষণীয় বিষয়। বিজেপি গত ২০১৪র লোকসভা ভোটের সময়ে উত্তরপ্রদেশে একজন সংখ্যালঘুকেও দলীয় টিকিট দেয় নি।এই ভাবশার পিছনে সেদিন সবথেকে বেশি কাজ করেছিল অমিত ....

স্টাফ রাইটার,2017-02-28

মালয়ালম যাজক মহিলাদের পোশাক সম্পর্কে যা বলেছেন সে সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন রইল তাঁর কাছে। পোশাক কি? ও কেন পড়া হয়? প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মানুষ নিজেকে বাঁচানোর জন্য এক সময় পোশাক পড়তো। তারপর সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পোশাকেরও বিবর্তন হয়েছে। ক্ষমতা অনুযায়ী.....

স্টাফ রাইটার,2017-02-25

নরেন্দ্র মোদী তামিলনাড়ুর পশ্চিমে নীলগিড়ি পাহাড়ের কাছেই কোয়েমবাটুরে ১১৩ ফুট উচু শিবের মূর্তির আবক্ষ উন্মোচন করতে গিয়ে ৫০০ বিক্ষোভকারির সম্মুখীন হয়েছেন। আধিকারিকেরা জানিয়েছেন বিক্ষোভকারিরা কালো বেলুনও উড়িয়ে জানিয়ে দিয়েছে পরিবেশের রক্ষাকারী কমিটির বিরুদ্ধাচারণ...

স্টাফ রাইটার,2017-02-11

উত্তর প্রদেশ: উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার সাত দফা নির্বাচনের মধ্যে প্রথম দফার ৭৩টি বিধানসভার নির্বাচন আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে এটা একটা প্রস্তুতি। এদিন সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ২৪.৫ শতাংশ। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিজেপি এই অঞ্চল থেকে....