নারদ কান্ড এবং মমতার রাজনীতির স্বরূপ

গৌতম রায়    2017-03-18

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতির গভীরতা সম্পর্কে একদিন প্রশ্ন করেছিলাম সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় জমানার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অরুণ মৈত্রকে। কোনো জবাব দেন নি। মমতার রাজনীতির গভীরতা সম্পর্কে শ্রদ্ধাশীল হয়ে জবাব দেন নি অরুণবাবু, তেমনটা ভাববার কোনো কারণ নেই।বডি ল্যাঙ্গুয়েজে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন মমতাকে আর যাই হোক রাজনীতিক হিশেবে নম্বর দিতে তিনি রাজি নন। এই অরুণ মৈত্রের নেতৃত্ব প্রদেশ কংগ্রেস থাকাকালীনই মমতার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল। অরুণ মৈত্র জবাব না দিলেও তাঁর স্ত্রী গীতিকা বলেছিলেন, নানা শারীরিক আঘাতে মমতার শারীরিক সমস্যার কথা। যার সঙ্গে রাজনৈতিক স্থৈর্য বা গভীরতার কোনো সম্পর্ক নেই। মমতা তখন অবশ্য মাথায় ব্যান্ডজ বেঁধে ঘুরছেন। আহত মমতাকে দেখতে নবতিপর প্রফুল্লচন্দ্র সেন নার্সিংহোমে গেছেন। সেই প্রফুল্লবাবু তিন চারটে দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে হেরে গেলেন বেলভিউতে। মমতা একটি বার ও গেলেন না। ওঁর মৃত্যুর পর কিন্তু কলকারার এক্সাইড মোড়ে পুরনো কংগ্রেস ভবনে চলে গিয়ে গল্পে মজে রইলেন মায়া ব্যানার্জির সঙ্গে। শবযাত্রার যাবতীয় আয়োজন করলেন সোমেন মিত্র। মমতা সেদিকে ফিরেও তাকালেন না। নারদ কান্ডে মহামান্য হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের আদেশ দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতার নবান্নে বসে সাংবাদিক সন্মেলন টেলিভিশনের পর্দাতে দেখে মনে হলো সুবিধাবাদের রাস্তাতে হেঁটে এখন কতো ভয়ঙ্করতম সুবিধাবাদের চোরা স্রোতে তিনি "রাজনীতি" নামক শব্দটাকে কলঙ্কিত করে দিলেন।নারদ স্টিং অপারেশনে মমতার দলের নেতা ,মন্ত্রী , এম পিদের ঘুষ নেওয়ার ছবি এবং তারপরে তাঁর দলের প্রায় সকলেই সেগুলি জাল ভিডিও ইত্যাদি বলবার পরের বহু চর্চিত বিষয় গুলির ভিতরে না গিয়েও বলতে হয় যে, মমতা এবং তাঁর সতীর্থরা যে রাজনৈতিক সংস্কৃতির আমদানি এ রাজ্যে ঘটালেন তা জয়ললিতার কীর্তিকলাপকেও বুঝি হার মানাতে চলেছে। জয়ার মতো শাড়ি, গয়না, জুতোর বিলাসিতা মমতার নেই। কিন্তু যেটা আছে সেটা জয়ললিতার থেকেও মারাত্মক।জয়া তাঁর বৈভব গোপন করতেন না। দ্রাবিড় সংস্কৃতিতে ফিল্মি কেতার বাড়বাড়ন্তে জয়া মানুষকে সোজাসুজি ধোকা দিয়েছিলেন। আর মমতা এখানে ধোকা দিচ্ছেন সুগার কোটিংয়ের ভিতর দিয়ে। লোকদেখানো সাদা খোলের ধনিয়াখালীর শাড়ির মাধুর্যে তিনি গরিবকে প্রভাবিত করে যেভাবে প্রতারিত করছেন তার নজির পৃথিবীর ইতিহাসে নেই। স্বৈরাচারী, চরমদুর্নীতিবাজ শাসক নিজের জীবনের বিলাস ব্যসন, বৈভব ইত্যাদি দিয়ে মানুষের ভিতরে একটা বিরক্তির পরিবেশ তৈরী করে। সেই বিরক্তি চরমে পৌঁছলে ঘটে বিদ্রোহ। এখানেই মমতার ক্যামোফ্লেজিং।তথাকথিত সহজ সরল জীবনধারার বিজ্ঞাপনে গরিব গুর্বের কাছে নিজকে আমি তোমাদের লোক হিশেবে তুলে ধরেন তিনি। আর সেই অস্ত্রেই গরিবের পেট মেরে কিভাবে টাকা লোটে তাঁর লোকেরা, যার ভাগ তিনি পান কি পান টা তা আগামী দিন বলবে, তারই যেন সামাজিক স্বীকৃতি ফুটে উঠলো হাইকোর্টের রায়ে। ক্যামোফ্লেজিং আর ব্ল্যাকমেলিং, বাংলায় যাকে এককথা তে বলা যায় ধোকাবাজি আর প্রতারণা--এটাই হলো মমতার রাজনীতির এক এবং একমাত্র মুলধন।প্রশাসক মমতা কতোখানি ব্যর্থ তা বুঝতে একটি শিশুর ও বাকি নেই। সেই ব্যর্থতা নিয়ে মানুষ যাতে কোনো অবস্থাতেই সোচ্চার না হয় তার জন্যেও মমতার চেষ্টার ক্রুটি নেই। তিনি যে আপাদমস্তক সাম্রাজ্যবাদ আর তার দোসর মৌলবাদ এবং সন্ত্রাসবাদৃর স্বাভাবিক মিত্র-- এটি যাতে মানুষ চট করে বুঝে ফেলতে না পারে তার জন্যেও মমতার চেষ্টার ক্রুটি নেই।সেই চেষ্টার ই অঙ্গ হল বিষ মদ খেয়ে মারা যাওয়া লোকেদের সরকারী কোষাগার থেকে টাকা দেওয়া থেকে শুরু করে লোকসঙ্গীত শিল্পী কালিকাপ্রসাদের বেদনাজনক মৃত্যুকে ও নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে আম জনতার আবেগকে নিজের দিকে ধরে রাখবার আপ্রাণ চেষ্টা। অর্থনৈতিক ভাবে খুবই তলার দিকে থাকা মানুষ, যাঁরা মূলত কায়িক শ্রমের উপর নির্ভর করে জীবন যাপন করেন দেশি মদে তাঁদের সামাজিক জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। নেশা আমাদের জীবনে অধঃপতন ডেকে আনে। নিম্নবিত্তীয় সমাজে নেশার ভয়াবহ প্রভাবের বিরুদ্ধে বহু সামাজিক আন্দোলন গড়ে উঠেছে। বিশেষ করে মেয়েদের ভিতরে সচেতনতা তৈরী হয়েছে। তবু ও এই শ্রেণী বিভক্ত সমাজের আর্থিক বৈষম্য নেশাকে নির্মূল করতে পারেনি আজ ও। শ্রমশক্তির উপর নির্ভর করে থাকা নিম্ন আয়ের মানুষদের জীবনে নেশার উপস্থিতির স্বাক্ষর রেখে গিয়েছেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ চির কালজয়ী সৃষ্টি "রক্তকরবী"তে। নিম্নবর্গীয় সমাজের শ্রেণী বিভাজন , বৈষম্য জনিত ব্যাধিকে কীভাবে শ্রেণী স্বার্থে ব্যবহার করা যায়--তার অনুপম দৃষ্টান্ত রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মদের নেশাকে শ্রেণী স্বার্থে ব্যবহার করে নিজের জনপ্রিয়তা বাড়াবার যে দৃষ্টান্ত মমতা ক্ষমতায় আসার পর স্থাপন করেছেন , তার নজির এই বাংলা তো দূরের কথা ভারত তথা বিশ্বের রাজনীতিতে আছে কি না গভীর সন্দেহের বিষয়। মমতা এক ঢিলে দুই পাখি মেরেছেন বিষ মদে মারা যাওয়া মানুষদের পরিবারকে সরকারী কোষাগার থেকে টাকা দিয়ে।প্রথমত তিনি সেই পরিবার, মৃতের স্ত্রী প্রমুখের ভিতর দিয়ে ;"আমি তোমাদেরই লোক" হিশেবে নিজেকে বেশ সাফল্যের সঙ্গেই মেলে ধরতে পেরেছেন।মদ খেয়ে মরলে কেউ না দেখলেও মমতা তো দেখবেন-- এই বার্তা দিয়ে একেবারে প্রলেতারিয়েত স্তরের মানুষদের শ্রেণী সচেতনতার অভিমুখকে কেবল ভোঁতাই নয়, একদম অন্যখাতে বইয়ে দিতে পেরেছেন মমতা। এহেন বন্ধুকে কেন পেন্টাগণ ভালো বাসবে না?কেন বিদেশ সচিবের পদে থেকে যাবতীয় প্রটোকল ভেঙে মহাকরণে ছুটে আসবেন না সুদূর ওয়াশিংটন থেকে হিলারি ক্লিন্টন? মমতা একদিকে বয়সের নিরিখে ধর্ষিতার দর বেঁধে দিচ্ছেন ক্ষতিপূরণের।সেই মমতাই দাবি করছেন, হাইকোর্টের নারদা নিয়ে রায় ঘোষণার আগে নাকি তাঁর সঙ্গে লুকোচুরি খাওয়া রাজনৈতিক দলটি জেনে যাচ্ছে আদালত কি রায় দিতে চলেছে। সেই মমতাই পার্ক স্টীটের সুজেট গণধর্ষিতা হওয়ার পর কোনো তদন্ত ছাড়াই জেনে যাচ্ছেন যে, ধর্ষণের কোনো ঘটনাই ঘটে নি।কাটোয়ার ট্রেনে নারী লাঞ্ছনার তদন্তের আগেই প্রকাশ্যে বলছেন , অভিযোগকারিণীর স্বামী সি পি আই ( এম) করেন। যেন সি পি আই( এম) দের , বিরোধী কর্মীদের ঘরের মা বোনের লাঞ্ছিত হওয়ার তাপস পালের নিদানের পূর্বাভাষ। তাই তো মমতার "গরমেন" এর পুলিশ সাহস করে ছাত্রনেত্রীদের দেহতল্লাশীর নামে মধ্যযুগীয় বর্বরতার পরিচয় রাখতে। বিষমদ আর নারদাতে সি বি আই হওয়ার পর মমতার প্রতিক্রিয়া --এই দুইয়ের ভিতরেই ফুটে উঠছে মমতার মানুষ ঠকাবার অত্যন্ত কৌশলী অভিনয় প্রতিভা। গরীবের পেটে ভাত নেই। এই গরীবকে ভাতের গন্ধের লোভ দেখিয়ে ক্ষমতা দখল করেছেন মমতা। গরিবের মাথার উপর যদি ছাউনি থাকে মমতার সঙ্গীসাথীদের সম্পত্তি বাড়বে কি করে? যে ছেলেটা দালালি করে দু পয়সা রোজগার করতো সে এখন স্করপিও, জাইলো ছাড়া ঘোরে না। যে লোকটা ধেনো মদ খেয়ে রেল লাইনের ধারে পড়ে থাকতো, সে এখন বঙ্কিমচন্দ্রের চেয়ারে বসে শহর শাসন করে। এই সমীকরণ তৈরী করতেই তো মমতা আমদানী করেছেন;" আয় মা লুটে পুটে খাই সংস্কৃতি"।সেই সংস্কৃতির ই তো " একটা ছোট্ট ঘটনা" এই নারদা। সত্যিই তো মমতার দলের নেতা, মন্ত্রী, এম পি রা কি দু লাখ , পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে ছুঁচো মেরে হাতে গন্ধ করতে পারেন? তাঁদের একটা প্রেসটিজ নেই? সোশাল স্টেটাস নেই?ওই টাকার চারগুণ তো তাদের পায়ের নখের যোগ্য নয় এমন স্থানীয় স্তরের নেতারা প্রাইমারীতে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে পাচ্ছে। দেশী মদ খেয়ে মারা যাওয়া লোক গুলোর বাড়ির লোকেরা যেমন বুঝলো, তাদের আর কেউ থাকুক না থাকুক একজন মমতা আছেন। যিনি "চোর কে চুরি করতে বলেই গৃহস্থ কে বলছেন সজাগ থাকতে"। তিনি অত্যন্ত দয়াবতী। বিনিময়ে শুধু চান সীমাহীন আনুগত্য।তাহলেই সবাই কে আয় মা লুটে পুটে খাইয়ে পেট পূজোর সুযোগ করে দেবেন। হজম না হলে এনজাইম দেবেন। অম্বল হলে অ্যান্টাসিড। বমি যদি হয়ে যায়? নো চাপ! দিয়ে দেবেন ডোমপিরিটন।তিনি আবার ডাক্তার ও কি না।তাঁর নাকি ব্যাগের ভিতরেই থাকে সব রকম রোগের দাওয়াই। তবে চিন্তা শুধু একটাই তাঁর ঘনিষ্ট রাই নাকি ভয় পান সে সব ওসুধ খেতে।কারণ, পাছে তাঁর দেওয়া ওসুধ খেয়ে অকালে গঙ্গাপ্রাপ্তি ঘটে।

স্টাফ রাইটার,2017-02-18

কলকাতা: প্রয়াত হলেন রাজ্যের মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লার মা রাজিয়া বিবি। আজ দুপুর ১২টা নাগাদ দক্ষিণ ২৪পরগণার বাকরিতে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। বেশ কিছুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর।...

গৌতম রায়,2017-01-07

ফেলানি হত্যা দিবস আজ। জীবিকার সন্ধানে মা-বাবার সঙ্গে ইটভাটায় কাজ করতে ভারতে গিয়েছিল ১৪ বছরের কিশোরী ফেলানি। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারির এই দিনে ভোরবেলা কাঁটাতারের প্রাচীর ডিঙ্গিয়ে নিজ দেশে ফেরার চেষ্টা করে ফেলানি। এ্‌ সময় কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তের ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ....

স্টাফ রাইটার,2017-01-06

কলকাতা হাইকোর্টের অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিশীথা মাত্রে নারদা কান্ড সম্পর্কে আজ বললেন, এই মামলায় যা তথ্য প্রমান আছে, তা তদন্তের দাবি রাখি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। এরজন্য রাজ্য পুলিশ পর্যাপ্ত নয়। এরা প্রত্যেকে মন্ত্রী, সাংসদ এরা পুলিশকে প্রভাবিত করতে পারেন। তাই ....

স্টাফ রাইটার,2016-12-28

শালবনি: নোট বাতিলের পরে অর্থ সংকট কমাতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক চারটি টাঁকশালে ৫০০ টাকার নোট ছাপার নির্দেশ দেয়। কিন্তু কর্মীরা অতিরিক্ত কাজ করতে অস্বীকার করেছে। তারা ওভারটাইম করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। শালবনির টাঁকশালের কর্মীরা ৯ ঘন্টা শিফটের বেশি সময় ধরে কাজ করছিলেন।....

স্টাফ রাইটার,2016-12-09

৯ ডিসেম্বর ’১৬ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৩৭ তম জন্মবার্ষিকী ও ৮৫ তম প্রয়াণদিবস। রোকেয়া জন্মমৃত্যু দিবস ভারতে, বাংলাদেশে, ইংলন্ডে ও অন্যত্র ‘রোকেয়াদিবস’হিসেবে পালিত হচ্ছে। যাঁরা অশিক্ষা, অজ্ঞানতা, কুসংস্কার, ধর্মবিদ্বেষ, কূপমন্ডুকতার অন্ধকার দূর করে, জ্ঞানের আলোকে ...

স্টাফ রাইটার,2016-10-29

আজ কালী পুজো। কার্ত্তিক মাসের অমাবস্যায় এই পুজো। কালী অর্থাৎ যিনি কালকে হরণ করতে পারেন। কালী শক্তির প্রতীক। সমস্ত অশুভকে ধ্বংস করেন যিনি তিনি কালী। তাঁকে আশ্রয় করে কত ভুলেভরা মানুষ পূণ্যের আস্বাদন পায়। মানব দেহ ধারণ কারে রামকৃষ্ণ, বামাক্ষেপা এই কালীর সাধনা করেই....

স্টাফ রাইটার,2016-09-30

অবশেষে পুলিশের জালে পার্কস্ট্রিট কান্ডের মূল অভিযু্ক্ত কাদের খান। উত্তর প্রদেশের নয়ডা থেকে তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে। ঘটনা ঘটে যাওয়ার সাড়ে চারবছর পরে আত্মগোপনকারী কাদের ও অপর অভিযুক্ত আলিকে কলকাতা পুলিশের বিশেষ দল গ্রেফতার করে। আজই তাদের আনা হবে কলকাতায়।

স্টাফ রাইটার,2016-08-08

রুমা, রাকেশদের বাড়িতে এখন চালের অভাব নেই। ২টাকা কেজি চাল পাচ্ছে তাদের পরিবার। সরকারি সাহায্যার্থে মিলেছে স্কুল যাওয়ার জন্য সাইকেল। ড্রেস, বই-পত্র সবই মিলছে স্কুল থেকে। কিন্তু তবু!পড়াশোনা চালিয়ে যেতে কোথাও একটা খামতি আছে। কারণ, রুমারা সকলেই দুঃস্থ .....

স্টাফ রাইটার,2016-07-28

এসময়ের বর্ষীয়ান ও প্রখ্যাত সাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবী প্রয়াত। ৯০ বছরে তিনি চলে গেলেন। বেশকিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে তিনি ভুগছিলেন। বেলভিউ হাসপাতালে বিকেল ৩-১৬মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বহু সাহিত্য তিনি রেখে গেছেন। তাঁর বিখ্যাত দুটি বই ‘হাজার চুরাশির মা’ ও ....

স্টাফ রাইটার,2016-07-15

দার্জিলিং: দার্জিলিং থেকে বাগডোগরায় যাওয়ার পথে সোনাদার কাছে রাষ্ট্রপতির কনভয়ের একটি গাড়ি খাদে পড়ে যায়। গাছে গাড়িটি আটকে যায় তাতে ৬জন যাত্রী ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধার কাজ তদারকি করেন। প্রত্যেককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আহতদের কাশিয়াং হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ....