উত্তরপ্রদেশের ফলাফল গোটা দেশের কাছে অশণি সঙ্কেত

গৌতম রায়    2017-03-16

সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে বিজেপি প্রার্থীর জয় উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা ভোটের ফলাফলে সব থেকে লক্ষণীয় বিষয়। বিজেপি গত ২০১৪র লোকসভা ভোটের সময়ে উত্তরপ্রদেশে একজন সংখ্যালঘুকেও দলীয় টিকিট দেয় নি।এই ভাবশার পিছনে সেদিন সবথেকে বেশি কাজ করেছিল অমিত শাহর মস্তিষ্ক। এবারের বিধানসভা ভোটে দেখা গেল বেশ খানিকটা দাপটের সঙ্গেই গোটা উত্তরপ্রদেশ জুড়ে একজন ও মুসলমান সম্প্রদায়ের প্রার্থী না দিয়েই ভোট ময়দানে নেমে পড়লো বিজেপি।ফলাফলে দেখা গেল; তথাকথিত বিজেপি ঝড়ে খড়কুটোর মতো শাসক সমাজবাদী বা তার ভোটসঙ্গী কংগ্রেস কিংবা তাদের নির্বাচনী শত্রু বি এস পি কে খানিকটা অপ্রাসঙ্গিক ই হয়ে উঠতে।সংখ্যালঘু এলাকা সহ গোটা উত্তরপ্রদেশ জুড়েই কেবল এস পি , কংগ্রেস জোটই নয়, বি এস পি ও প্রচুর মুসলমান প্রার্থী দিয়েছিল। সেইসব প্রার্থীরৃ সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা গুলিতেও আদৌ প্রভাব বিস্তার করতে পারে নি। সেইসব কেন্দ্রে বিজেপির হিন্দু প্রার্থীরা চরম সামাজিক বিভাজন চালিয়ে , সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়িয়ে, মন্দির ইস্যু তুলে, শ্মশান- কবরস্থানের কথা বলে, ঈদ-রমজান বনাম দেওয়ালির কথা বলেও জিতে গিয়েছে।
কেন এমন হলো?উত্তরপ্রদেশের মুসলমান সমাজ কি সত্যিই চরম হিন্দু সাম্প্রদায়িক , মৌলবাদী শক্তি বিজেপিকে নির্ভরযোগ্য বলে মনে করলো? যে বিজেপি এবং তাদের মুল চালিকা শক্তি আর এস এস ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বজরং দল ইত্যাদির মতো হাজারো বর্ণের সঙ্গীসাথীদের নিয়ে বর্বরোচিত ভাবে ধ্বংস করলো ভারতআত্মা ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদকে, সেই বিজেপিকে উত্তরপ্রদেশের মুসলমান সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ মনে করলো ভরসাস্থল? উত্তরপ্রদেশের মুসলমান সমাজের বেশিরভাগ মানুষ ভুলে গেলেন গোধরার ঘটনা?ভুলে গেলেন গুজরাট গণহত্যার বিভৎসতা?ভুলে গেলেন মুজফফরনগরের দাঙ্গার কথা?সেই দাঙ্গাতে মুসলমানের জানমাল নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বিজেপি বিধায়ক সঙ্গীত সোমের কথা?ভুলে গেলেন দিল্লির বিজেপি এম পির হায়দ্রাবাদ হাউসে গিয়ে সেখানকার রমজানের উপবাসরত রেঁস্তোরা কর্মীর মুখে জোর করে রুটি গুজে দেওয়ার ঘটনা?একবার ও কি তাঁরা ভাবলেন না মোদি ক্ষমতায় আসবার পর থেকে ঘটে যাওয়া অসহিষ্ণুতা থেকে লাভ জেহাদ, ঘর ওয়াপসির মতো ঘটনা গুলি?ভাবলেন না দাদরির শেখ আখলাখের কথা?চিন্তা করলেন না কৈরানার মুসলমানদের অসহায়তার কথা? প্রত্যেকটি প্রশ্নের উত্তরে বলতে হয়; প্রত্যেকটি বিষয় ই তাঁরা চুল চেরা বিশ্লেষণে ভেবেছেন। ভাববার পরেও তাঁরা হিন্দু সাম্প্রদায়িক শক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। কারণ, তাঁরা কিছুতেই আর ভরসা করতে পারেন নি ধর্মনিরপেক্ষ শিবিরকে।যে মুলায়ম সিং যাদব আটের দশকের শেষে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন বীরবিক্রমে হিন্দুত্ববাদী শক্তির ইটপূজোর নাম করে সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়াবার চেষ্টা কে আটকেছিলেন, সেই মুলায়ম কেন্দ্রে বিজেপি একক ভাবে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ধীরে ধীরে নিজেকে বদলাতে শুরু করে দিয়েছেন।কেন্দ্রের বিরুদ্ধে যখন সংসদের ভিতরে ও বাইরে নোটবন্দির ইস্যুতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে চেপে ধরেছে তখন সেইসব বিক্ষোভে উপস্থিত থাকবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও মুলায়ম সযত্নে প্রকাশ্য বিক্ষোভ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন।প্রায় সমস্ত বিরোধীরা যখন নোটবন্দির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে সংসদ থেকে রাষ্ট্রপতি ভবন পর্যন্ত মানববন্ধন করেছেন, তখন সেই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও শেষ পর্যন্ত সেই মানববন্ধনকে এড়িয়ে গিয়েছেন মুলায়ম। উত্তরপ্রদেশের সংখ্যালঘু সমাজ কিন্তু মুলায়মের এই ভূমিকাকে ভালো চোখে দেখে নি। বস্তুর কেন্দ্রে দ্বিতীয় দফার ইউ পি এ সরকারের শেষের দিক থেকেই মুলায়ম এবং অখিলেশের ভূমিকাকে আদৌ ধর্মনিরপেক্ষ শিবিরের জন্যে খুব স্বাস্থ্যকর পদচারণা বলে দেখা যাবে না।উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগরে লোকসভা ভোটের আগে মেরুকরণের লক্ষ্যে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সংগঠিত করে হিন্দু সাম্প্রদায়িক শক্তি।কেন্দ্রে তখন ক্ষমতায় কংগ্রেস। কেন্দ্র যদিও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে সরাসরি কোনোরকম হস্তক্ষেপ করতে পারে না--তবুও দিল্লির প্রায় লাগোয়া মুজফফরনগরেহাজার হাজার মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদের জান মাল যখন গভীর নিরাপত্তাহীনতার ভিতরে রয়েছে তখন কি তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার বা কংগ্রেস দলের কিছুই করবার ছিল না? যে সমাজবাদী পার্টি কেবল মুজফফরনগর দাঙ্গার সময়ে সঠিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিয়ে কার্যত দাঙ্গাকারী বিজেপি বিধায়ক সঙ্গীত সোম কে বাঁচিয়েছে--সেই সমাজবাদী পার্টি বা তার ভোটসঙ্গী কংগ্রেস দলকে উত্তরপ্রদেশের মুসলমান সমাজ এককথাতে ভরসা করবে --এমনটা ভেবে নেওয়ার কোনো কারণ থাকতে পারে না। দাদরির বর্বরতার পর অখিলেশ যাদব কেবল নিশ্চুপ ই থাকেন নি, হিন্দু সন্ত্রাসবাদীদের হাতে নির্মম ভাবে নিহত শেখ আখলাখের পরিবারের উপর যথেষ্ট পুলিশি জুলুম হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী হিশেবে অখিলেশ কোনোরকম ভূমিকা পালন করেন নি।স্বভাবত ই যখন হামলাকারীদের করা এফ আই আরের ভিত্তিতে শেখ আখলাখের পরিবার কে গ্রেপ্তার করতে অখিলেশের পুলিশ চরম তৎপরতা দেখিয়েছে তখন সেখানকার মুসলমান সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষদের মনেই অখিলেশ আর বিজেপির ভিতরে কি কোনো গোপন বোঝাপড়া হয়েছে?-এই আশঙ্কা তীব্র হয়ে উঠেছে।আখলাখের হত্যাকারীদের প্রতি কোনারকম ব্যবস্থা নেয় নি অখিলেশের সরকার। উল্টে তাঁর পুলিশের জুলুমের হাত থেকে বাঁচতে শহিদ আখলাখের মাকে , ভাইকে আশ্রয় নিতে হয়েছে আদালতের। তাঁরা আদালতের নির্দেশে গ্রেপ্তারি ড়াতে সক্ষম হয়েছেন। যে তৎপরতা একটা গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত সরকারের দেখানো উচিত ছিল, সেই তৎপরতার একটি বিন্দু ও দাদরির ঘটনার পরে অখিলেশের সরকার দেখায় নি।এমন একটি রাজনৈতিক দলের উপরে কি ভাবে আস্থা রাখবেন উত্তরপ্রদেশের মুসলমান সমাজের বেশিরভাগ মানুষ? তাহলে কি ধর্মনিরপেক্ষ শিবির নয়, সাম্প্রদায়িক শিবিরের উপরেই আস্থা রাখলেন উত্তরপ্রদেশের মুসলমান সমাজের একটা বড়ো অংশ। না। কোনো অবস্থাতেই একথা বলা যাবে না।উত্তরপ্রদেশের মুসলমান সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ কেবলমাত্র নিজেদের জীবন বাঁচাতে খানিকটা কৌশলগত কারনে এই মুহুর্তে ভোট দিয়েছে বিজেপিকে।তাঁরা খুব ভালো ভাবে বুঝতে পারছেন আমাদের জাতীয় রাজনীতির সঙ্কটকে। হিন্দু সাম্প্রদায়িক শক্তি কেন্দ্রে একক গরিষ্ঠতার জোরে এখন ক্ষমতায়। আর এস এসের রাজনৈতিক সংগঠন নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি "সাম্প্রদায়িকতা"কে গোটা দেশের বুকে গেঁথে দিতে মরীয়া।তবে যেহেতু তারা এখন কেন্দ্রে ক্ষমতায় রয়েছে তাই বিরোধী দলে বিজেপি থাকার সময়ে যে ভাবে সরাসরি দাঙ্গা বাঁধিয়ে দিতো তারা, কৌশলগত কারনেই এখন সেই পথে তারা হাঁটছে না। নিজেদের গায়ে সরাসরি " দাঙ্গাকারী " তকমাটা তারা লাগাতে চাইছে না। তার বদলে আরো ভয়ঙ্কর পথ তারা ধরেছে। সেই ভয়ঙ্কর পথটা হলো মেরুকরণ। সার্বিক মেরুকরণ। হিন্দু মুসলমানে আড়াআড়ি ভাগ।ধর্ম ভিত্তিক মেরুকরণ। সমাজ ভিত্তিক মেরুকরণ। আর্থিক মেরুকরণ। এই উপায় অবলম্বন করেই তারা তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি হিশেব " সাম্প্রদায়িকতা"কে দেশের প্রতিটি কোনাতে ছড়িয়ে দিতে চায়। এই চাইবার ইচ্ছা টাকে উসকে দিতে তারা গোটা দেশব্যাপী তৈরী করেছে একটা ভয়াবহ ভয়ের সংস্কৃতি।বিষয় টা এই রকম ই--হয় তাদের কথা শুনে তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করো, নচেৎ প্রাণে শেষ হয়ে যাওয়ার জন্যে প্রস্তুত থাকো।হাজারো বর্ণের আর এস এসের শাখা সংগঠন গুলির মাধ্যমে গোটা হিন্দু সাম্প্রদায়িক শক্তি উত্তরপ্রদেশ জুড়ে এই ভয়ের সংস্কৃতি কায়েম করেছিল গত তিন বছর ধরে।সেখানকার মানুষদের , বিশেষ করে মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষকে শাসানো হয়েছে, হয় আমাদির কথা শুনে চলো না হলে তোমার ও পরিণতি হবে শেখ আখলাখের ই মতো।এই ভয়ের সংস্কৃতিকে সাময়িকভাবে হলেও মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে সেখানকার মুসলমান সমাজের একটি বড়ো অংশের মানুষ কেবল প্রাণ রক্ষার তাগিদে। এইবারের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার ভোটে বিজেপি একটিও রাজনৈতিক কথা বলে নি।সহিষ্ণুতা, গো হত্যা, লাভ জেহাদ, ঘর ওয়াপসি, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, কাশ্মীর, তিন তালাক, সন্ত্রাসবাদ-পাকিস্থান-মুসলমান, রামমন্দির, শ্মশান, গোরস্থান, রমজান-দেওয়ালী-- এইসব আর এস এসের নিজস্ব কর্মসূচির ভিতর দিয়ে মেরুকরণকে তারা তীব্র থেকে তীব্রতর করেছে।একমাত্র বামপন্থীরা ছাড়া বিজেপি বিরোধী একটি রাজনৈতিক দল ই এইসব ঘোরতর সাম্প্রদায়িক প্রচারের মোকাবিলা রাজনৈতিক ভাবে করে নি। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে ১৯৯১ সালে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার যে ভোট হয় সেখানে মুসলিম অধ্যুষিত কেন্দ্রে র কয়েকটিতে বিজেপি জিতেছিল।সেই সময়ে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভাতে মুসলিম বিধায়ক ছিলেন মাত্র ১৬ জন।তা স্বত্ত্বেও মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিজেপির সেদিনের জেতাকে অবশ্য ই উত্তরপ্রদেশের মুসলমান সমাজের ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংসের হিন্দুত্ববাদী দাবির প্রতি সহমর্মিতা বলে একবিন্দু উপস্থাপিত করা যায় না।এবারের ভোটে উত্তরপ্রদেশের দাঙ্গা অধ্যোষিত মীরাপুর কেন্দ্রে বিজেপি তার নিকটতম সমাজবাদী পার্টির প্রার্থীকে হারিয়েছে মাত্র ১৯৩ ভোটে।বি এস পি সেখানে ৪০ হাজার ভোট পেয়েছে।"শামলি" তেমন ই একটি দাঙ্গা ক্লিষ্ট কেন্দ্র। এখানে জোটের কংগ্রেস প্রার্থী ঘিরে সমাজবাদী পার্টির ভিতরেই ক্ষোভ ছিল। সমাজবাদীর মণীষ কুমার সেখানে নির্দল প্রার্থী হিশেবে দাঁড়িয়ে ৩২ হাজার ভোট কেটে বিজেপি প্রার্থীর জয়ের পথ সুগম করে দেয়। এক ই কথা প্রযোজ্য সাহারানপুর জেলার গাঙ্গোহ কেন্দ্র সম্পর্কেও।

গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়,2017-05-06

বৈশাখের প্রবল নিদাঘেও শান্তির বারি মাহালি এবং মণ্ডল পরিবারে-সেই নকশালবাড়ি থেকে এই চেতলায়। দেখে মনে হচ্ছে, মোদি-মমতার দ্বৈরথের দরুন এবার প্রাচীন একটি প্রবচন পাল্টে ফেলার সময় এসেছে। এখন থেকে হয়তো বলতে হবে, রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় নলখাগড়ারা প্রাণ পায়। ....

গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়,2017-04-24

এরকমটিই তো হওয়ার কথা ছিল। অশান্ত কাশ্মীরে একটি নতুন কালো মেঘের আবির্ভাবে সে সত্যই ফের প্রতিভাত হল। ন’বছরের এক বালিকাকে গোরক্ষকেরা প্রহারেণ ধনঞ্জয় করে বুঝিয়েছে, এ দেশে গোমাতাকে চারণভূমিতেও নিয়ে যাওয়া যাবে না, যদি না, কট্টর হিন্দুবাহিনীদের কাছ থেকে শংসাপত্র না .....

N Sathiya Moorthy,2017-04-21

To elect, or re-elect a chief minister, the AIADMK needs to call only the MLAs for a meeting. But to elect a new general secretary, it would have to conduct direct elections with all registered cadres participating and voting. And that is .....

Ram Puniyani,2017-04-10

The spectacular victory of BJP in UP Assembly poll was capped by choosing of Adityanath Yogi as the Chief Minister of UP. He had not contested for the Assembly nor was he projected as the Chief Minister by BJP before polls. Why ....

Ram Puniyani,2017-04-08

After the long wait, the Supreme Court Chief Justice J.S. Khehar opined that long pending dispute of Ram Janmabhoomi-Babri Masjid should be settled out of court. (March 2017) He even offered to mediate himself in the matter.

গৌতম রায়,2017-03-23

উত্তরপ্রদেশের ভোটের প্রচার পর্বে সামাজিক মেরুকরণের ভিতর দিয়ে এমন একটা পরিবেশ গোটা হিন্দুত্ববাদী শিবির রচনা করে যে, কেবলমাত্র হিন্দু সম্প্রদায়েরই সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে তা নয়।সংখ্যালঘু মুসলমান সমাজের একটা বড়ো অংশ ও ভোটের বাক্সে নিরাশ করে নি ....

Ram Puniyani,2017-03-22

The Assembly election results of 2017 have come as a bolt to many and are a matter of deep celebration for the communal forces. While there is a slight dip in the voting percentage of BJP from 2014 general elections, the number of seats it ...

স্টাফ রাইটার,2017-02-28

মালয়ালম যাজক মহিলাদের পোশাক সম্পর্কে যা বলেছেন সে সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন রইল তাঁর কাছে। পোশাক কি? ও কেন পড়া হয়? প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মানুষ নিজেকে বাঁচানোর জন্য এক সময় পোশাক পড়তো। তারপর সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পোশাকেরও বিবর্তন হয়েছে। ক্ষমতা অনুযায়ী.....

স্টাফ রাইটার,2017-02-25

নরেন্দ্র মোদী তামিলনাড়ুর পশ্চিমে নীলগিড়ি পাহাড়ের কাছেই কোয়েমবাটুরে ১১৩ ফুট উচু শিবের মূর্তির আবক্ষ উন্মোচন করতে গিয়ে ৫০০ বিক্ষোভকারির সম্মুখীন হয়েছেন। আধিকারিকেরা জানিয়েছেন বিক্ষোভকারিরা কালো বেলুনও উড়িয়ে জানিয়ে দিয়েছে পরিবেশের রক্ষাকারী কমিটির বিরুদ্ধাচারণ...

স্টাফ রাইটার,2017-02-11

উত্তর প্রদেশ: উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার সাত দফা নির্বাচনের মধ্যে প্রথম দফার ৭৩টি বিধানসভার নির্বাচন আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে এটা একটা প্রস্তুতি। এদিন সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ২৪.৫ শতাংশ। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিজেপি এই অঞ্চল থেকে....