বাংলাভাষার ইসলামিকরণ করে আমরা কাদের সুবিধা করে দিচ্ছি?

সৈয়দ তানভীর নাসরীন    2017-03-18

ঢাকা আর ইসলামাবাদ। বাংলাদেশ আর পাকিস্তান। জানুয়ারির শেষের দিকে এই দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী, শেখ হাসিনা আর নওয়াজ শরিফ, দুজনেই ছিলেন ডাভোসে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম-এর বৈঠকে। কিন্তু দুই রাষ্ট্রপ্রধান-এর অ্যাজেন্ডা ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। শেখ হাসিনা ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম-কে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ঢাকায় তাদের কোনও বৈঠক করার জন্য। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী খুলনায় ভারতের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তৈরি হতে চলা রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে খোঁচা সামলেছেন। এমনকি ডাভোসে দাঁড়িয়ে প্রাক্তন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোরেকে রামপাল নিয়ে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন, বাংলাদেশে এসে তাঁরা দেখে যান এই বিদ্যুৎ প্রকল্প আদৌ কতটা পরিবেশের ক্ষতি করছে। স্বভাবতই গত সপ্তাহটা বাংলাদেশের মিডিয়া-র চর্চা ছিল, শেখ হাসিনা এবং তার সরকার উন্নয়নের অভিমুখ-কে কতটা নির্দিষ্ট করতে পারছে।
অন্যদিকে নওয়াজ শরিফ? তাঁকে ব্যাস্ত থাকতে হয়েছিল ফাঁস হয়ে যাওয়া পানামা পেপার্সে তাঁর যেসব আত্মীয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের হয়ে সাফাই দিতে। ‘পানামা পেপার্স’ কেলেঙ্কারি ছাড়া পাক মিডিয়ার চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল শাহরুখ খানের ‘রইস’। হ্যাঁ, পাক টেলিভিশন আর সংবাদপত্রে শুধু ‘রইস’ নিয়ে আলোচনা। ‘রইস’-এ যেহেতু অভিনয় করেছেন পাক অভিনেত্রী মাহিরা খান, সেহেতু ‘রইস’ লাহোর কিংবা করাচিতে মুক্তি পাবে কি না, তা নিয়ে পাক টেলিভিশন গুলো সরগরম ছিল। যেহেতু ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ নিয়ে ভারতে বিতর্কের পর পাকিস্তানও পাল্টা ব্যবস্থা হিসাবে ভারতীয় সিনেমা পাকিস্তানে দেখানো বন্ধ করে দিয়েছে, সেই নিষেধাজ্ঞা উঠবে কিনা, ‘রইস’ পাকিস্তানে দেখানো হবে কিনা, তাই নিয়ে তোলপাড় চলছিল পাক মিডিয়ায়।
আর ঐ সপ্তাহটাতেই আমি ঢাকায় বসে বোঝার চেষ্টা করছিলাম, কোথায় আলাদা হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ আর পাকিস্তান। শেখ হাসিনার সরকার যে উন্নয়নকে পাখির চোখ করে হাঁটছে, সেটাই কি ঢাকা আর ইসলামাবাদের মধ্যে ‘ডিফারেনটিয়েটর’ বা নির্ধারক হয়ে দাঁড়াচ্ছে? একদা ‘বড়ভাই’ পাকিস্তানকে টপকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ? আওয়ামি লিগের সমর্থক বুদ্ধিজীবীরা মনে করেন শেখ হাসিনা-র সরকারের তিনটে ‘ডি’ দেশের জন্য কাজ দিয়েছে। ডেমোক্র্যাসি, ডেভেলপমেন্ট আর ডিজিটালাইজেশন। এই তিন ‘ডি’-এর উপযোগিতা যদি আপাতত শেখ হাসিনার সরকার বা বাংলাদেশ-কে এগিয়ে রাখে, তাহলে তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ‘মোল্লাতন্ত্র’-কে কীভাবে তারা নিয়ন্ত্রণ করছে বা ‘নেগোশিয়েট’ করছে।
কেন এই প্রসঙ্গ তুললাম? কারণ গত বছরের শেষ থেকেই অভিযোগ উঠছে বাংলাদেশের স্কুলশিক্ষায় ‘মোল্লাতন্ত্র’ মাথা গলাচ্ছে। তাদের অঙ্গুলিহেলানেই স্কুলের পাঠ্যবইতে বেশকিছু সংশোধন এবং পরিমার্জন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের শিক্ষক মেসবাহ কামাল বলছিলেন, ‘হেফাজতে ইসলাম সরকারের কাছে চিঠি লিখে ২৯টি দাবি জানিয়েছিল। ১৭টি লেখা স্কুলের পাঠ্যবইতে ঢোকানোর জন্য, আর ১২টি লেখা বাদ দেওয়ার জন্য। আশ্চর্যজনকভাবে দেখা যাচ্ছে সরকার তাদের দাবি মেনে নিয়েছে। হেফাজত যে সব লেখা পাঠ্যবই থেকে বাদ দিতে বলেছিল, তার মধ্যে মাত্র দু’টি টিঁকে গিয়েছে। উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর ‘রামায়ণ কাহিনী’ আর শরৎচন্দ্রের ‘লালু’।” মেসবাহ কামালরা পরিষ্কারই বলছেন, এটা বাংলাদেশের স্কুলশিক্ষা-কে ইসলামিকরণের চেষ্টা, এবং যেটা স্বভাবতই উদ্বেগজনক।
মুনতাসীর মামুন আরও আক্রমণাত্মক ভাবে হেফাজত-এর এই দাবি মেনে নেওয়াকে স্কুলশিক্ষার ‘হেজাবীকরণ’ বলছেন। তিনি উদাহরণ দিয়ে দেখাচ্ছেন, ১৯৬৯ সালে পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্তানের পাঠ্যবইতে এই ধরনের সংশোধনের চেষ্টা হয়েছিল। সেইসময় মদনমোহন তর্কালঙ্কারের বিখ্যাত কবিতা, “সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি...” কে বদলে ফেলা হয়েছিল। ইসলামিকরণের চেষ্টায় লেখা হয়েছিল, “ফজরে উঠিয়া আমি দেলে দেলে বলি, সারাদিন যেন আমি ইমন মেনে চলি”। বাংলাভাষার উপর এই ‘আক্রমণ’কে সেদিন পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র সমাজ মেনে নেয়নি। কিন্তু ৪৮ বছর বাদে, স্বাধীন বাংলাদেশে সেই পরিবর্তনই হল। এবং হল সেইসময়ে, যখন ৬৯-এর বামপন্থী ছাত্র নেতা নুরুল ইসলাম নাহিদ এখন আওয়ামি লিগ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী।
বাংলাদেশে শিক্ষার ‘ইসলামিকরণ’ নিয়ে এই বিতর্ক শুনতে শুনতে আমার মনে হচ্ছিল বামপন্থীদের এই ‘আত্মসমর্পণ’ তো নতুন ঘটনা নয়! পশ্চিমবঙ্গের পাঠ্যবইয়ের সিলেবাসে যাঁরা ‘রামধনু’-কে রংধনু করেছেন, বা আকাশী রং কে ‘আসমানী’ করে দিয়েছেন, তাঁরাও নিজেদের বামপন্থী ঐতিহ্যে-র কথাই বলেন। এভাবে যদি সব ‘রাম’-কে তাঁরা বদলে দেবেন বলে ভাবেন, তাহলে ‘রামছাগল’, ‘রাম দা’ সেগুলোর কি হবে? যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের শিক্ষক, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অচিন্ত্য বিশ্বাস তো ‘ফেসবুক’-এ ঠিকই লিখেছেন, বাংলা ভাষায় সব শব্দে ‘রাম’-এর পিছনে ধর্ম খুঁজতে যাওয়াটা অর্থহীন। যাঁরা পশ্চিমবঙ্গের স্কুল সিলেবাস-এ ‘রামধনু’-কে ‘রংধনু’ করে দিয়েছেন, তাঁরাও আসলে একধরনের ‘ইসলামিকরণ’-এর সামনে নতজানু হচ্ছেন।
যেহেতু আমি নিজে ইতিহাস পড়াই, তাই জানি যে নাম-এর বদলের সঙ্গে সবসময় একটা রাজনীতি জড়িয়ে থাকে। ‘ইলাহাবাদ’-কে এলাহাবাদ, ‘আহমেদপুর’-কে আমোদপুর করে দেওয়ার মধ্যে সেই নামের সঙ্গে যে ইসলামি ইতিহাস বা মুসলমান সংস্কৃতি জড়িয়ে থাকে, তাকে গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। আমরা সবসময় সেই চেষ্টার প্রতিবাদ করি। কিন্তু যাঁরা শিক্ষার গৌরিকীকরণের বিরুদ্ধে এত কথা বলেন, তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের স্কুলশিক্ষার ইসলামিকরণের উদ্যোগের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন না কেন? ‘উড়নচন্ডী’ শব্দটাতে কেউ কেউ ধর্মের গন্ধ পাচ্ছেন, সেইজন্য বদলে লিখছেন ‘উড়নচরে’! এবার কি সেটাও এই বাংলার স্কুলবইতে ঢুকবে?
ভাষা হিসাবে, সংস্কৃতি হিসাবে বাংলা-কে ‘ইসলামিকরণের’ এর চেষ্টা অবশ্য একটা সচেতন প্রয়াস। বাংলাদেশে হেফাজতে ইসলাম বিবৃতি দিয়ে জানিয়েই দিয়েছে, স্কুলশিক্ষার বইতে যে পরিবর্তন হয়েছে, তা তাদের দাবি মেনেই হয়েছে। হেফাজতের অভিযোগ, এতদিন বাংলাদেশের স্কুলশিক্ষায় মুসলমান ছেলেদের নাস্তিক্যবাদ ও হিন্দুশাস্ত্র বিষয়ে পড়ানো হচ্ছিল। এবার তা বাদ গিয়েছে। বাদ গিয়েছে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, লালন আরও বহুজনের লেখা। যে বয়সে মূলত একজন শিক্ষার্থীর মানসিকতা তৈরি হয়, সেই সপ্তম এবং অষ্টম শ্রেণীর পাঠ্যবইকে আমূল বদলে ফেলা হয়েছে বাংলাদেশে। হেফাজতে ইসলামির আমির মহম্মদ শফি বলেছেন, “সরকার তাঁদের দাবি মেনে নেওয়াটা প্রশংসাজনক এবং ইতিবাচক”।
ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ থিঙ্কট্যাঙ্ক আর ডি সি বা রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কালেকটিভ-এর পরীবাগের দফতরে বসে আলোচনা হচ্ছিল। অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা কামরুল আহসান খান, কানাডা-র মানবাধিকার আন্দোলনের নেতা উইলিয়ম স্লোন, সবাই রয়েছেন। মেসবাহ কামাল বলছিলেন, “মনে রাখবেন গত বছরও আমাদের পাঠ্যবই থেকে রবীন্দ্রনাথের ‘আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে’ গানটি বাদ দেওয়া হয়েছিল। কারণ হিসাবে ইসলামপন্থীরা বলেছিল, গানটিতে ‘মন্দির’ শব্দ আছে”। শুনেই আমার মনে পড়ে গেল ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা। আমি নিজে মুসলিম পরিবারে বড় হয়েছি। তার উপরে আবার আমার পরিবারের শিকড় মধ্য এশিয়ার বুখারায়। দাদুর কাছে কত শুনেছি আমাদের পরিবার পীরের পরিবার। কিন্তু ছোটবেলা থেকে তো সবসময় মায়ের মুখে শুনেছি, “দুষ্টুমি করবে না, লক্ষী হয়ে বোসো”। এখনও আমার কন্যাকে ‘লক্ষী’ হয়ে চলার পরামর্শই দিই। জানি এটাই আমার বাঙালি সংস্কৃতি। ভাবিনি এই ‘লক্ষী’ দেবী কি না! এইভাবে ইসলামিকরণ হলে এবার থেকে মেয়েকে কি বলব?
বাংলাদেশে এই শিক্ষার ‘ইসলামিকরণ’ নিয়ে বিতর্কই আমার মনে হয় শেখ হাসিনার উন্নয়ন-এর রোডম্যাপে চ্যালেঞ্জ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ বহু নাটকীয় ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে গেছে। সামরিক শাসন, জামাত-এর শাসন ক্ষমতায় বসা, আবার সামরিক শাসন- সব মিলিয়ে গণতন্ত্রের পক্ষে হাঁটায় ঢাকাকে কম চড়াই উতরাই পেরোতে হয়নি। কিন্তু ইসলামাবাদকে পিছনে ফেলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যদি ঢাকা এগিয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে তার কারণ বাংলাদেশের নাগরিক সমাজ। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক এবং ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ গড়ার চেষ্টায় সেদেশের নাগরিক সমাজের নিরন্তর প্রয়াস। কিন্তু নাগরিক সমাজ-এর এই প্রয়াসকে লঘু করে দিতে পারে শিক্ষায় ‘ইসলামি’করণের চেষ্টা।
বাংলাদেশ থেকে চলে আসার আগে ঢাকা ক্লাবে হঠাৎ দেখা পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। পীযূষদা বাংলাদেশের নামী অভিনেতা, একসময় সে দেশের ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনেরও ম্যানেজিং ডিরেক্টর ছিলেন। পাবনায় বাড়ি তাঁর। স্বভাবতই সুচিত্রা সেনকে নিয়ে আলাদা দুর্বলতা আছে তাঁর। উত্তম-সুচিত্রার ছবি, সেই ছবির রোম্যান্টিক আবেদন, ঢাকার নাগরিক সমাজে উত্তম-সুচিত্রা-র জুটির জনপ্রিয়তা নিয়ে দুর্দান্ত গল্প বলতে পারেন পীযূষদা। সেই সব গল্প শুনতে শুনতে হঠাৎ আবার বাংলাদেশের স্কুলশিক্ষায় ইসলামিকরণের আর একটা উদাহরণ মনে পড়ে গেল। একটি ইংরেজি গল্পে মুখ্য চরিত্রের নাম ছিল উত্তম, হেফাজতের দাবি মেনে যা হয়েছে ‘আলাওল’। তা হলে ধরা যাক ঢাকায় কোনও চলচ্চিত্র উৎসবে ‘সপ্তপদী’ কিংবা ‘পথে হল দেরী’ দেখানো হচ্ছে, বাইরে কি পোস্টার পড়বে? শ্রেষ্ঠাংশে ‘আলাওল এবং সুচিত্রা? না, সুচিত্রা-ও হিন্দু নাম, বদলে যাবে? হবে ‘জুলেখা’? ‘আলাওল’ এবং ‘জুলেখা’-র নামওয়ালা ‘সপ্তপদী’-র পোস্টারটা কল্পনায় দেখতে পেলাম!

স্টাফ রাইটার,2017-01-09

ঢাকা: বিএনপি-র চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ এবং নাশকতার নয় মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে গেছে। এই শুনানির জন্য আগামী ১ ফেব্রুয়ারতে নতুন তারিখ ঠিক করে ওই দিন খালেদাকে হাজিরের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা। এসব মামলায় সোমবার...

স্টাফ রাইটার,2017-01-06

ঢাকা: বাংলাদেশে ২০১৬তে গুলশানের এক ক্যাফেতে যে জঘন্য হত্যালীলা চলে, তার মূলচক্রীর মৃত্যু হয়েছে পুলিশের গুলিতে। আজ ভোর রাতে তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ১ ভারতীয় সহ ২২ জনের মৃত্যু হয়। এই মামলার দায় ইসলামিক জঙ্গি গোষ্ঠী স্বীকার করে নেয়।....

স্টাফ রাইটার,2016-12-29

মুক্তিযুদ্ধের জন্য রক্ত ঝড়েছে অনেক। বইও লেখা হয়েছে বিস্তর। তবুও তো সত্য কাহিনি শেষ হয়না। এবার বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল তৌফিকুর রহমান-এর মুক্তিযুদ্ধের দলিল প্রকাশিত হতে চলেছে ৩১ ডিসেম্বর। শনিবার সকাল ১১টায় জাদুঘরের প্রধান মিনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন কর হয়েছে। প্রধান .....

স্টাফ রাইটার,2016-12-28

ঢাকা: বাংলাদেশে জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটের পর গণনা শুরু হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ১৬ বছর পর এধরণের ঘটনা অভূতপূর্ব। পাবর্ত্য তিন জেলা বাদে দেশের বাকি ৬১ জেলায় ওয়ার্ডভিত্তিক ভোট কেন্দ্রে সকাল ৯ টা থেকে ২ টো পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলে। প্রায় ক্ষমতাহীন এই পরিষদের নির্বাচনে....

স্টাফ রাইটার,2016-12-09

৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘ ঘোষিত ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’ পালনের আহ্বান জানিয়েছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। ২০১৫ সাল থেকে জাতিসংঘ এই দিনটি পালন করছে। ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে বিশ্বের গণহত্যার ইতিহাসে নৃশংসতম গণহত্যা বাংলাদেশে...

স্টাফ রাইটার,2016-09-21

ঢাকা: দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলির মধ্যে সরকারি পর্যায়ে বোঝাপড়া বাড়াতে এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ‘সাউথ সাউথ নেটওয়ার্ক’ গড়ে তোলার প্রস্তাব করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার জাতিসংঘের সদরদপ্তরে এক সেমিনারে শেখ হাসিনা এই প্রস্তাব পেশ করেন বলে তাঁর প্রেস ....

স্টাফ রাইটার,2016-07-02

ঢাকা: বাংলাদেশের অভিজাত গুলশন-২ এলাকায় শুক্রবার রাত ৯-২০ মিনিটে জঙ্গি হানা দেয়। তারা ৩৫ জনকে পনবন্দি করে। হলি আর্টিসান বেকারিতে ডিপ্লোমেটিক এলাকায় আক্রমন চলে। সেনাবাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের কথাবার্তা চালে। তাতে জঙ্গিরা বাগে না আসায় সকাল ৭-৪০ মিনিটে আর্মি ও নৌবাহিনী যৌথভাবে আক্রমণ চালায়। জঙ্গিদের আক্রমনে ২০জন পনবন্দির মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের ...

স্টাফ রাইটার,2016-07-01

ঢাকা: মুক্তচিন্তার মানুষের পর এবার মৌলবাদীদের লক্ষ্য হিন্দু পুরোহিত। ঝিনাইদহ সদরে আবার এক মন্দিরের পুরোহিতকে কুপিয়ে খুন করল মৌলবাদীরা। মোটরবাইকে করে গামছা দিয়ে মুখ ঢেকে আসা তিন দুষ্কৃতী এই পুরোহিতকে কুপিয়ে খুন করে পালিয়ে য়ায়। মৃত পুরোহিতের নাম শ্যামানন্দ দাস(৪৫)। তিন.....

স্টাফ রাইটার,2016-06-29

ঢাকা: তৈরি পোশাকসহ সব ধরনের পণ্যে রপ্তানিমূল্যের ওপর ১.৫ শতাংশ উতস কর কাটার যে প্রস্তাব অর্থমন্ত্রী করেছিলেন তা কমিয়ে ০.৭ শতাংশে নামিয়ে আনা সহ কয়েকটি সংশোধনী এনে অর্থবিল ২০১৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। সেইসঙ্গে তথ্য-প্রযুক্তি সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানের স্থান ও .....

পিনাকি ভট্টাচার্য,2016-06-21

ইসলামিক জঙ্গি হল পৃথিবীর সব চেয়ে বড় বেমানান নাগরিক। সব চেয়ে লাগাম ছাড়া মানুষ। তাকে ক্রসফায়ার করা যায়, ড্রোন দিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে খুন করা যায় , তাকে আবু গারিবে তার বাপের সামনে রেপ করা যায়, সেইটা ভিডিও করা যায় , সেলফি তোলা যায়। যেই সেলফি কোথাও না ....